
ফলপ্রসূ পাঠদানে সহযোগিতায় দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ –উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন
|| নিজস্ব প্রতিবেদক ||
লিডিং ইউনিভার্সিটি কোয়ালিটি এসিউরেন্স সেলের উদ্যোগে ‘Roles and Responsibilities of Officers and Administratives in Quality Assurance System’ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যালারী-১ এ লিডিং ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সহকারি কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন। কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক ড. সুলতান মাহমুদ ভূঁইয়া।
কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রমকে সুন্দরভাবে পরিচালিত করতে সার্বিক সহযোগিতায় সমসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন। তাই শিক্ষকদেরকে ফলপ্রসূ পাঠদানে সহযোগিতা করতে দক্ষ অফিসার এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন। দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনেক দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা একটু আলাদা। এখানে যখন যাকে যে কাজ দেওয়া হয় তখনই তা করে ফেলা এবং নিজস্ব দপ্তরের বাইরে প্রয়োজনে অন্যান্য দপ্তরের কাজেও সহযোগিতা করতে হয়। লিডিং ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দানবীর ড. সৈয়দ রাগীব আলী আকাঙ্ক্ষা হলো কোয়ালিটি বৃদ্ধি করা। আজকের এই কর্মশালার মধ্যদিয়ে রিসোর্স পারসনের পরামর্শে লিডিং ইউনিভার্সিটির প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষ অফিস ব্যবস্থাপনার আরো উন্নতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন এবং রিসোর্স পারসনদেরকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
বতর্মানে অনেক সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ভালো করছে উল্লেখ করে ইউজিসির পরিচালক ড. সুলতান মাহমুদ ভূঁইয়া কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ইতিবাচক মানসিকতা হলো আশাবাদী চিন্তাভাবনার প্রবণতা। যখন ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থাকে, তখন জীবনের অসুবিধা এবং নেতিবাচক ফলাফলগুলি কী তা সহজে বুঝতে পারা যায় এবং তা থেকে ভালো কিছু করা যায়। তাই যেকোন পরিস্থিতির ইতিবাচক দিকগুলিতে মনোনিবেশ করার প্রতি পরামর্শ প্রদান করেন তিনি।
তিনি বলেন, ১১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র ২৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী সনদ পেয়েছে, তারমধ্যে ড. সৈয়দ রাগীব আলীর লিডিং ইউনিভার্সিটির এটি একটি বড় অর্জন। তিনি আরো বলেন, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকসহ যেকোনো প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প পেতে লিডিং ইউনিভার্সিটির যোগ্যতা লাভ করেছে যাতে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাসহ যেকোনো উন্নয়নমূলক কাছে অর্থ বরাদ্দ পাবে। গবেষণার মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, মানবিক ও সদাচরনের মাধ্যমে কার্যকর যোগাযোগ স্থাপন, সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা, বিবেক দিয়ে সমাধান দেওয়া এবং কাজের গুরুত্ব অনুযায়ী উপরের লেভেলের সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ সম্পাদন করা যাতে কোন সমস্যা না হয় সে ব্যবস্থা করা, সমস্যা হলে যথাযথভাবে পদক্ষেপ নেওয়া ও তার সমাধানের জন্য যোগাযোগের মাধ্যমে সঠিক সমাধান প্রদানই হলো কার্যকর অফিস ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা।
পরিশেষে তিনি লিডিং ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা উপমহাদেশের প্রখ্যাত দানবীর ড. সৈয়দ রাগীব আলীর সঠিক পরামর্শ ও পৃষ্ঠপোষকতায় দক্ষ মানব সম্পত তৈরি করতে লিডিং ইউনিভার্সিটি এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি এ কর্মশালার আয়োজন করার জন্য লিডিং ইউনিভার্সিটি কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
লিডিং ইউনিভার্সিটি কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেলের পরিচালক এবং কলা ও আধুনিক ভাষা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য প্রদান করেন, লিডিং ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. বশির আহমেদ ভূঁইয়া এবং এতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন লিডিং ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার মো. মফিজুল ইসলাম।
লিডিং ইউনিভার্সিটি কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেলের অতিরিক্ত পরিচালক ও ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শাহানশাহ মোল্লার উপস্থাপনায় কর্মশালায় লিডিং ইউনিভার্সিটির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. কবির আহমেদ, লাইব্রেরিয়ান মো. আব্দুল হাই ছামেনীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন।
