শনিবার, জানুয়ারি ১০

বদলগাছীতে সভাপতি দম্পতির বিরুদ্ধে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রির অভিযোগ

|| লিটন হোসেন | বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি ||

নওগাঁ জেলার বদলগাছীতে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের (গুচ্ছ গ্রাম) ঘর বিক্রির অভিযোগ উঠেছে প্রকল্পের সভাপতি ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বদলগাছী উপজেলার পাহারপুর ইউনিয়নের দাহাকান্দি সরকারী আশ্রয় প্রকল্পে (গুচ্ছ গ্রামে)।অভিযোগ উঠে মোছাঃ শাপলা পারভীন, স্বামী মোঃ বাচ্চু হোসেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘর দখল করে বাস করছেন। ঘটনার অনুসন্ধানে বের হয় অন্য রহস্যময় ঘটনা। তারা প্রকল্পের সভাপতি ও তার স্ত্রীর নিকট হতে ঘরটি ক্রয় করে বসবাস করছেন।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাগজ কলমে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের সভাপতি মোঃ আতোয়ার মন্ডল। কিন্তু কাগজে কলমে সভাপতি মোঃ আতোয়ার মন্ডল হলেও সকল ক্ষেত্রে প্রভাব ও ক্ষমতা খাটান তার স্ত্রী মোসাঃ রেহেনা পারভিন। প্রভাব ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি এবার প্রকল্পের একটি ঘর বিক্রি করেন (১২৫০০০/-) এক লক্ষ পঁচিশ হাজার টাকার বিনিময়ে যা সম্পূর্ণ বেআইনি।সভাপতি মোঃ আতোয়ার মন্ডল ও স্ত্রী রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ঘরটি বিক্রি করেছেন। সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরটি ক্রয় করেন একই ইউপির মোছাঃ শাপলা পারভীন, স্বামী মোঃ বাচ্চু হোসেন, গ্রামঃ সবদুলপুর, পাহাড়পুর, বদলগাছী।

আপনি কিভাবে এই ঘর পেলেন শাপলা পারভিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, গুচ্ছ গ্রাম সভাপতি মোঃ আতোয়ার মন্ডলের স্ত্রীর কাছ থেকে কিনে নিয়েছি। কত টাকার বিনিময়ে কিনেছেন প্রশ্ন করলে তিনি (১২৫০০০/-) এক লক্ষ পঁচিশ হাজার টাকার বিনিময়ে।

আশ্রয়ণের বাসিন্দাদের সাথে কথা বললে আরও জানা যায়, সভাপতির অনিয়মের বিষয়ে। তারা জানান, প্রকল্পের একটি পুকুর আছে দীর্ঘদিন যাবৎ কোনো অনুদান পায় না। অথচ উপজেলার অন্যান্য আশ্রয়ণ প্রকল্প সরকারের দেওয়া সকল অনুদান সহযোগিতা গ্রহন করেছে বলে জানা গেছে। সভাপতিকে এ কথা আমরা জানালে তিনি আমাদের জানান, আমি যায়নি জন্য অনুদান পায়নি, যা দ্বায় সারা উত্তর বটে।

এ বিষয়ে জানতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের সভাপতি মোঃ আতোয়ার মন্ডলের খোঁজ করতে তার স্ত্রী রেহেনা পারভিন জানান, তিনি সেখানে নেই বাহিরে আছেন।

সভাপতির স্ত্রী রেহেনা পারভিনকে প্রশ্ন করা হলে আপনি কে? উত্তরে তিনি জানান, আমি এই গুচ্ছ গ্রামের সভাপতি আতোয়ারের স্ত্রী তার সব কাজ আমিই করি। ঘর বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে জানান, হ্যাঁ (১২৫০০০/-) এক লক্ষ পঁচিশ টাকার বিনিময়ে মোছাঃ শাপলা পারভীন, স্বামী মোঃ বাচ্চু হোসেনের কাছে বিক্রি করেছি।

এ বিষয়ে জানতে চেয়ে বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইশরাত জাহান ছনির মুঠোফোন যোগাযোগ করা হলে তিনি তার মুঠোফোনটি রিসিভ করেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *