
বেরিয়ে এলো নানা অনিয়মের তথ্য: মাছের ওজনে কমতি, নিম্নমানের চাল ও অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ
|| শেখ শাহরিয়ার | জেলা প্রতিনিধি (খুলনা) ||
খুলনার ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযানে নানা অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় দুদকের খুলনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রকিবুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে দেখা যায়, রোগীদের জন্য সরকার নির্ধারিত একজনের বরাদ্দ ১৫১ গ্রাম মাছ থাকলেও বাস্তবে দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৩৯ গ্রাম। পাশাপাশি নিম্নমানের চাল সরবরাহেরও প্রমাণ মেলে। এছাড়া বর্হিবিভাগের রোগীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ৩ টাকার পরিবর্তে ৫ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। ডাক্তারদের ব্যবস্থাপত্রে উল্লেখিত ঔষধ সম্পূর্ণভাবে সরবরাহ করা হয় না এবং চিকিৎসকদের যথাসময়ে ফিঙ্গারপ্রিন্টে হাজিরার অনিয়মও ধরা পড়ে।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জেসমিন আরা বলেন, “জনবল কম থাকায় নিয়মিত খাবার পরীক্ষা সম্ভব হয় না। তবে টিকিটের বাড়তি টাকা নেওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরবরাহকৃত ঔষধ ফুরিয়ে যাওয়ায় অনেক সময় শর্ট স্লিপের ঔষধ দেওয়া সম্ভব হয় না।”
খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান রাখি এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী মো. সেলিম সরদার অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “সরকার নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ী সবকিছুই সরবরাহ করা হয়।”
