
|| আন্তর্জাতিক ডেস্ক ||
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার একটি হাসপাতালে ইসরায়েলি বিমান হামলায় হামাসের একজন শীর্ষ নেতা ও তার এক সহযোগী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন এক হামাস কর্মকর্তা।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানায় লন্ডনভিত্তিক সংবাদ সংস্থা বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাসের হাসপাতাল লক্ষ্য করে চালানো এই হামলায় নিহত হন হামাসের আর্থিক বিভাগের প্রধান ইসমাইল বারহুম। গাজা উপত্যকার খান ইউনুস শহরে অবস্থিত এই হাসপাতালটিই সেখানকার প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র।
হামাসের এক কর্মকর্তা জানান, চারদিন আগে ইসরায়েলি বিমান হামলায় আহত হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য নাসের হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন বারহুম।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ‘বিস্তৃত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের ভিত্তিতে’ হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অবস্থানরত হামাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্যকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এতে ‘সুনির্দিষ্ট অস্ত্র’ ব্যবহার করা হয়েছে যাতে আশপাশের ক্ষয়ক্ষতি সীমিত রাখা যায়।
হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় অনেকেই, এমনকি চিকিৎসাকর্মীরাও আহত হয়েছেন। হাসপাতালের যে অংশে হামলা হয়, তা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় ওই বিভাগ খালি করে দেওয়া হয়।
বিবিসি যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, হামলার পর আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন লোকজন।
ইসরায়েল বলছে, নতুন এক মার্কিন প্রস্তাবে হামাস রাজি না হওয়ায় যুদ্ধবিরতি শেষ হয়। হামাস বলছে, ইসরায়েল পূর্বের জানুয়ারিতে হওয়া চুক্তি থেকে সরে এসেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েলে প্রায় ১২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল গাজায় হামাসকে ধ্বংস করতে সামরিক অভিযান শুরু করে। হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এ হামলায় এখন পর্যন্ত ৫০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।