
|| এস এম শাহরিয়ার | জেলা প্রতিনিধি (খুলনা) ||
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)-এর ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) পদে পুনরায় নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদ।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে তাঁকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁর নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর।
এর আগে সোমবার (১৬ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ নিয়োগের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।
নিয়োগপ্রাপ্ত ভিসি ড. মুহাম্মদ মাছুদ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে সরকারের নীতিমালার আলোকে কুয়েটকে একটি আধুনিক ও গবেষণাভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি কাজ করবেন। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, গবেষণার বিস্তার এবং শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক ইতিবাচক একাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ এর আগে কুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, হল প্রোভোস্ট, সিআরটিএস-এর চেয়ারম্যান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলন আইসিএমআইইই-এর কনফারেন্স সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তাঁর দেড় শতাধিক গবেষণা প্রবন্ধ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য জার্নাল ও কনফারেন্সে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া তাঁর একাধিক বই ও বুক চ্যাপ্টার রয়েছে। শিক্ষা ও গবেষণার কাজে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সফর করেছেন।
তিনি ১৯৯৮ সালে তৎকালীন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (বিআইটি), খুলনা থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। একই বছরে তিনি প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক হয়ে ২০১১ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। বর্তমানে তিনি অধ্যাপক (গ্রেড-১) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
তিনি জাপানের নাগোয়া ইউনিভার্সিটি থেকে ২০০৩ সালে এমএসসি এবং ২০০৬ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট এল পাসো থেকে পোস্টডক্টরাল গবেষণা সম্পন্ন করেন।
