
|| আন্তর্জাতিক ডেস্ক ||
ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত গাজা ‘শান্তি বোর্ড’-এ ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর যোগদানের ঘোষণার মধ্যেই গাজা উপত্যকায় নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। একদিকে শান্তির আলোচনার টেবিলে বসা এবং অন্যদিকে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখাকে ‘পরস্পরবিরোধী’ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) আল জাজিরাসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গঠিত ‘বোর্ড অফ পিস’-এ যোগ দিতে রাজি হয়েছেন নেতানিয়াহু। তবে এই পদক্ষেপকে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা ও সাধারণ বাসিন্দারা সন্দেহের চোখে দেখছেন। তাদের মতে, এটি ট্রাম্পকে সন্তুষ্ট করার এবং গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার বিলম্বিত করার একটি কৌশল মাত্র।
ফিলিস্তিনিদের আশঙ্কা, এই বোর্ডে যোগ দিয়ে নেতানিয়াহু মূলত যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ ও ‘ইয়েলো লাইন’ থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চাইছেন। তারা মনে করছেন, নেতানিয়াহু সরাসরি ট্রাম্পকে ‘না’ বলতে পারছেন না বলেই এই সদস্যপদ গ্রহণ করেছেন, কিন্তু বাস্তবে শান্তি পরিকল্পনার শর্তগুলো পালন করবেন কি না, তা নিয়ে প্রবল সংশয় রয়েছে।
এদিকে গাজা থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, শান্তি বোর্ডে যোগদানের খবরের মাঝেই গাজার বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা ও সামরিক অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ফিলিস্তিনিদের দাবি, এই হামলা প্রমাণ করে যে ইসরায়েল গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারে মোটেও আগ্রহী নয়। এই দ্বিমুখী অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথকে আরও সংকীর্ণ ও জটিল করে তুলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
