রবিবার, জানুয়ারি ২৫

জিয়াউর রহমান ছিলেন সংকটকালে জাতির দিশারি: মনিরুজ্জামান মন্টু

|| শেখ শাহরিয়ার | জেলা প্রতিনিধি (খুলনা) ||

খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. মনিরুজ্জামান মন্টু বলেছেন, স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে মেজর জিয়াউর রহমানের জন্য তখন সামরিক আইনে মৃত্যুদণ্ড অবধারিত ছিল। দেশ স্বাধীন না হলে তিনি বেঁচে থাকার সুযোগ পেতেন না। তিনি বলেন, জাতির চরম দুর্দিনে জীবনকে বারবার ঝুঁকির মুখে ফেলে যিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন, সেই জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য দেশপ্রেমিক।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া একই আদর্শের ধারক। তাদের সেই ত্যাগ ও দেশপ্রেম থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে হলে আসন্ন নির্বাচনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীককে বিজয়ী করতে হবে। পলাতক ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে উদ্ধার করার সক্ষমতা একমাত্র বিএনপিরই আছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে ফুলতলা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তমের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফুলতলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আবুল বাশারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাটি সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার মনির হাসান টিটো।

মনিরুজ্জামান মন্টু বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে যখন দেশের রাজনীতি চরমভাবে পথভ্রষ্ট, তখনই দেশপ্রেমের আলোকবর্তিকা হাতে নিয়ে নেতৃত্বে আসেন জিয়াউর রহমান। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর অল্প সময়ের মধ্যেই ১৯ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ অপবাদ থেকে মুক্ত করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদার আসনে পৌঁছে দেন তিনি। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায় আজ আমাদের ওপর বর্তেছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে জনগণের বাংলাদেশ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ হবে সবার।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা কাজী আনোয়ার হোসেন বাবু, মোল্যা মনিরুল ইসলাম, জামাল হোসেন ভূঁইয়া, মো. ইব্রাহিম সরদার, মোতাহার হোসেন কিরণ, আনিচুর রহমান পলাশ, শেখ মহিউদ্দিন, কবির জমাদ্দার, শরিফুল ইসলাম, মো. ইদ্রিস মোল্যা, পিন্টু জমাদ্দার, আ. রহিম গাজী, মো. টিটু জমাদ্দার, মো. তরিকুল ইসলাম, মো. রউফ গাজী ও জিএম হারুন অর রশীদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *